<div id="MiddleColumn_internal"> <p style="text-align: justify; ">কেন কিছু শিশুর হাঁপানি হয়, ডাক্তাররা পুরোপুরি তা বুঝে উঠতে পারেন না। কিন্তু তাঁরা কিছু ঝুঁকি চিহ্নিত করতে পেরেছেন।</p> <ul> <li>কোনও বাচ্চার বাবা বা মায়ের হাঁপানি থাকলে তার হাঁপানি হওয়ার ঝুঁকি ২৫%। যদি বাবা ও মা দু’জনেরই হাঁপানি থাকে, তবে ঝুঁকি বেড়ে হয় ৫০%।</li> <li>যে সব বাচ্চার মায়েরা গর্ভাবস্থায় ধূমপান করেছেন, সেই সব বাচ্চার হাঁপানি হওয়ার সম্ভবনা বেশি।</li> <li>মায়েদের সম্পর্কিত কিছু বিষয়ের সঙ্গেও হাঁপানির যোগসূত্র আছে, যেমন কম বয়সে মা হওয়া, মায়ের পুষ্টির অভাব এবং স্তন্যপান না করানো।</li> <li>সময়ের পূর্বে প্রসব এবং জন্মের সময়ে ওজনের স্বল্পতাও ঝুঁকির বিষয়।</li> <li>শহুরে পরিবেশে থাকা বাচ্চাদের হাঁপানি হওয়ার সম্ভবনা বেশি, বিশেষত তারা যদি নিম্ন আর্থসামাজিক গোষ্ঠীভুক্ত হয়। যদিও বিষয়টি পুরোপুরি এ ভাবে বোঝা সম্ভব নয়। তবে মনে করা হয়, নিম্ন মানের বসবাসের পরিবেশের কারণে তারা হাঁপানির উদ্দীপকগুলির বেশি সংস্পর্শে আসে। সুচিকিৎসার অভাবও নিম্ন আয়ের মানুষের হাঁপানিতে আক্রান্ত হওয়ার অন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ।</li> <li> যে সব বাচ্চা অল্প বয়সে বেশি ঘনত্বের অ্যালারজেন যেমন ধূলিকণা বা আরশোলার মলের সংস্পর্শে আসে, তাদের হাঁপানি হওয়ার সম্ভবনা বেশি।</li> <li> যে সব বাচ্চার কম বয়সে ব্রঙ্কোলাইটিস হয়েছে, পরবর্তীকালে ভাইরাল সংক্রমনে তাদের প্রায়শই সোঁ সোঁ করে আওয়াজ হয়। এই সোঁ সোঁ আওয়াজ প্রথমে হাঁপানি বলে মনে হতে পারে, কিন্তু অন্য বাচ্চাদের মতো এই বাচ্চাদের বয়ঃসন্ধিতে হাঁপানি হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম।</li> </ul> </div>