<div id="MiddleColumn_internal"> <p style="text-align: justify; ">ভালো ভাবে পরিপুষ্ট মায়েদের ক্ষেত্রে শিশুর ওজন জন্মের সময় সাধারণত ৩.৫ কেজি হয়। কিন্তু ভারতীয় শিশুদের জন্মের সময় ওজন গড়ে ২.৭ থেকে ২.৯ কেজি হয়ে থাকে। জন্মের এক ঘন্টার মধ্যে শিশুর ওজন রেকর্ড করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই পরিমাপ শিশুর বৃদ্ধি এবং বেঁচে থাকার সম্ভাবনা নির্ধারণ করে।</p> <p style="text-align: justify; ">জন্মের সময় ২.৫ কেজির কম (২.৪৯৯ পর্যন্ত এবং সহ) ওজন আন্তর্জাতিক ভাবে নিম্ন জন্ম-ওজন (লো বার্থ ওয়েট সংক্ষেপে এলবিডাবলু) হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। জন্ম পরবর্তী কোনও ক্ষতি ঘটার আগেই শিশুর জীবনের প্রথম ঘণ্টার মধ্যে তার ওজন পরিমাপ করা জরুরি। শিশুর পূর্ণ মেয়াদের পর বা মেয়াদের আগে জন্ম হতে পারে। উভয় ক্ষেত্রে নিম্ন জন্ম-ওজনের পরিমাপ দু’রকম হয় ---</p> <ul> <li> মেয়াদের পূর্বে জন্ম : অকালে বা নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে অর্থাৎ গর্ভধারণের ৩৭ সপ্তাহ আগে জন্ম হয় যে শিশুদের, জরায়ুতে তাদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি হতে পারে, যেমন, ওজন, দৈর্ঘ্য ও বৃদ্ধি স্বাভাবিক। এই শিশুদের জন্মের সময় থেকে ২ থেকে ৩ বছর বয়স পর্যন্ত সঠিক যত্নের প্রয়োজন রয়েছে। উন্নত দেশে, নিম্ন জন্ম-ওজনের শিশু হল নির্ধারিত সময়ের পূর্বে জন্মানো শিশু। এর কারণ, একাধিক বার গর্ভধারণ, গুরুতর সংক্রমণ, টক্সিমিয়া, অল্প বয়সে গর্ভধারণ, কঠিন শারীরিক পরিশ্রম ইত্যাদি কারণে এবং অনেক ক্ষেত্রে কারণ অজানা।</li> <li> স্মল ফর ডেট (এসএফডি): এই ধরনের শিশু মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার সময় বা মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই জন্মগ্রহণ করতে পারে। তাদের ওজন নির্ধারিত সময়ের বয়সের ১০ শতাংশের কম হতে পারে। এটি সংশ্লিষ্ট ভ্রূণের বৃদ্ধি সঙ্গে জড়িত। উন্নয়নশীল দেশে সংখ্যাগরিষ্ঠ শিশুদের জন্মের সময় কম ওজন হয় এসএফডি-র কারণে। এই জন্ম-ওজন কমের অনেক কারণ রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য, মায়ের অপুষ্টি, রক্তাল্পতা, অল্প বয়সে সন্তান ধারণ, একাধিক গর্ভধারণ, উচ্চ রক্তচাপ, টক্সিমিয়া এবং ম্যালেরিয়া। অধিকাংশ কারণের পিছনে সামাজিক-অর্থনৈতিক অবস্থা ও শিক্ষাগত অবস্থান জড়িত। ভ্রূণ সম্পর্কিত বিষয়গুলি হল : একাধিক গর্ভধারণ (দু’টি অথবা তিনটি শিশু) জরায়ুস্থ সংক্রমণ, অস্বাভাবিকতা এবং ক্রোমোজোম অস্বাভাবিকতা। ডিম্বকবাহী গভর্পত্র সংক্রান্ত কারণের মধ্যে রয়েছে এর অস্বাভাবিকতা এবং গুণগত ভাবে উন্নত ডিমের অপ্রতুলতা।</li> </ul> </div>