পশ্চিমবঙ্গে ভূগর্ভস্থ জলস্তরে আর্সেনিকের দূষণ প্রথম প্রচারের আলোয় আসে জুলাই, ১৯৮৩-তে। সাম্প্রতিক সমীক্ষাগুলোতে জানা গেছে শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, বাংলাদেশ, পশ্চিমবঙ্গ পার্শ্ববর্তী-বিহার, ঝাড়খন্ড ও উত্তর প্রদেশের ৫ লক্ষ বর্গ কিলোমিটার ব্যাপী বিস্তীর্ণ ‘গঙ্গা-মেঘনা-ব্রহ্মপুত্র’ বিধৌত এই নদীমাতৃক সমতলের প্রায় ৫০ কোটি মানুষ আর্সেনিক দূষণ কবলিত এলাকাগুলিতে বাস করেন। ২০০৬ সাল অবধি সমীক্ষায় পশ্চিমবঙ্গের ১২টি জেলার ১১১টি ব্লকে ভূগর্ভস্থ জলে আর্সেনিকের উপস্থিতির কথা জানা গেছে। জেলাভিত্তিক আর্সেনিক আক্রান্ত অঞ্চল মালদা কালিয়াচক ১, ২ ও ৩, ইংলিশবাজার, মানিকচক, মালদা (পুরোনো), চাঁচল ২, রতুয়া ১ ও ২। মুর্শিদাবাদ বহরমপুর, ভগবানগোলা ১ ও ২, বেলডাঙা ১ ও ২, সুতি ১ ও ২, রানিনগর ১ ও ২, ডোমকল, জলঙ্গি, হরিহরপাড়া, নওদা, রঘুনাথগঞ্জ ১ ও ২, ফারাক্কা, মুর্শিদাবাদ লালবাঁধ, লালগোলা, সামরেসগঞ্জ, কান্দী, ভরতপুর ১ ও ২ সাগরদীঘি, খড়গ্রাম। উত্তর ২৪ পরগনা বারাসাত ১ ও ২, দেগঙ্গা, বসিরহাট ২, বাদুড়িয়া, স্বরূপনগর, হাবরা ১ ও ২, গাইঘাটা, হাসনাবাদ, বনগাঁ, বাগদা, ব্যারাকপুর ১ ও ২, রাজারহাট, হাড়োয়া, হিঙ্গলগঞ্জ, আমডাঙা, সন্দেশখালি। দক্ষিণ ২৪ পরগনা বারুইপুর, সোনারপুর, জয়নগর ১, মগরাহাট ১ ও ২, বজবজ, বিষ্ণুপুর ১ ও ২, ক্যানিং ১ ও ২ প্রভৃতি। নদিয়া চাকদা, শান্তিপুর, নবদ্বীপ, তেহট্ট ১ ও ২, হরিণঘাটা, কালীগঞ্জ, করিমপুর ১ ও ২, হাঁসখালি, রানাঘাট ১ ও ২, নাকাশিপাড়া, চাপড়া, কৃষ্ণনগর ১ও ২, কৃষ্ণগঞ্জ। বর্ধমান পূর্বস্থলী ১ ও ২, বর্ধমান ১, কালনা ১, কাটোয়া ১, মেমারি ২। হাওড়া বালী, জগাছা, উলুবেড়িয়া ২, সাঁকরাইল, আমতা ১ ও ২, বাগনান ১ ও ২। হুগলি বলাগড়, চণ্ডীতলা ২, ধনিয়াখালি, গোঘাট, হরিপাল, খানাকুল ১ ও ২, পান্ডুয়া, পোলবা-দাদপুর, সিঙ্গুর, শ্রীরামপুর। কোচবিহার কোচবিহার ১। উত্তর দিনাজপুর গোয়ালপোখর ১। দক্ষিণ দিনাজপুর বালুরঘাট। কলকাতা দক্ষিণ কলকাতা। সূত্র : বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সংসদ ও দফতর, পশ্চিমবঙ্গ সরকার