কী করবেন ডাক্তারের পরামর্শ মতো ওষুধ খান। জ্বর এবং দুর্বলতা না কমা পর্যন্ত বিশ্রাম নিন। পেট ভরে খান। ফলের রস, সরবত, দুধ জল বেশি করে। ঠান্ডা জলে মাথা ধুয়ে ঈষদুষ্ণ জলে গা মুছে নিন। জ্বর বেশি হলে একাধিক বার। জ্বর ছেড়ে যাওয়ার সময় প্রচুর ঘাম হয়। ঘাম যেন গায়ে না বসে। ঈষদুষ্ণ জলে ভেজা তোয়ালে দিয়ে ঘাম মুছে, শুকিয়ে নিন। জটিলতা দেখা দিলে ডাক্তারের পরামর্শ মতো হাসপাতালে ভর্তি হোন। জটিলতা খুব বেশি জ্বর ১০৫০ – ১০৬০ বা আরও বেশি। রক্তে জীবাণু দ্রুত বাড়তে থাকা। বোঝা যায় রক্ত পরীক্ষা করে। প্রস্রাব কমে আসা, বন্ধ হয়ে যাওয়া, হলুদ বা চায়ের লিকারের মতো প্রস্রাব হওয়া। রক্তে হিমোগ্লোবিন ৭-এর নীচে নেমে যাওয়া। দাঁতে, চোখে, প্রস্রাবে, পায়খানায় বা কাশির সঙ্গে রক্তপাত। শ্বাসকষ্ট, হঠাৎ ঘাম দেওয়া বা হাত পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়া। রক্তচাপ কমতে থাকা, নাড়ির গতি ক্ষীণ হয়ে আসা। অত্যাধিক বমি। ভুল বকা। তড়কা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া। ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ঘুম কমে যাওয়া মাথাঘোরা, বমি কান ভোঁ ভোঁ করা, চোখে কম দেখা মুখ বেঁকে যাওয়া অ্যানিমিয়া, জন্ডিস মানসিকতা অস্থিরতা এই জাতীয় উপসর্গ দেখা দিলে ডাক্তারকে জানান। তথ্য : ডাঃ অমিতাভ নন্দী