কী ধরনের শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন হতে পারে বুকের এক্স-রে রক্ত এবং কফ/শ্লেষ্মা (Mucus) পরীক্ষা কখন হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে মারাত্মক নিউমোনিয়া হয়ে থাকলে হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে। এ ক্ষেত্রে ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে অ্যান্টিবায়োটিক দিতে হবে। প্রয়োজনে অক্সিজেনও দিতে হতে পারে। অক্সিজেনের প্রয়োজন না হলে বাড়িতে থেকেও চিকিৎসকের পরামর্শমতো অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ানো যেতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে বাড়িতে ভালো ভাবে রোগীর প্রতি যত্ন নিতে হবে। চিকিৎসা কী ধরনের চিকিৎসা আছে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া ভাইরাস প্রতিরোধী ওষুধ খাওয়া পর্যাপ্ত পরিমাণ বিশ্রাম তরল খাদ্য গ্রহণ জ্বর এবং ব্যথা কমানোর জন্য ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খাওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। বিশ্রাম, পথ্য ও বাড়তি সতর্কতা প্রচুর বিশ্রাম গ্রহণ করতে হবে প্রচুর পরিমাণে তরল খাবার গ্রহণ এবং জল খেতে হবে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ঠিকমতো ওষুধ খেতে হবে ডাক্তারের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ করতে হবে প্রতিরোধ নিউমোনিয়া কী ভাবে প্রতিরোধ করা যায় ভালো ভাবে পরিষ্কার করে হাত ধুতে হবে নিজের প্রতি যত্ন নিতে হবে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে হবে সুষম খাদ্য গ্রহণ করতে হবে ধূমপান করা যাবে না হাঁচি/কাশির সময় মুখ হাত দিয়ে ঢাকতে হবে বা রুমাল ব্যবহার করতে হবে। তথ্যসূত্র : http://www.infokosh.gov.bd/atricle/নিউমোনিয়া