<div id="MiddleColumn_internal"> <ul> <li> ক্রেপ ব্যান্ডেজ বাঁধুন। </li> <li> পা উঁচু করে রাখুন।</li> <li> ব্যথার ওষুধ খান প্রয়োজনমতো। </li> <li> এক্সরে করান। </li> </ul> <h3>না ভাঙলে</h3> <ul> <li> ক্রেপ ব্যান্ডেজ বাঁধা থাকবে ৫ – ৭ দিন। </li> <li> ৪-৫ দিন ব্যথা কমার ওষুধ খেতে হতে পারে। </li> <li> পা যথাসম্ভব উঁচু করে রাখবেন। বেশি হাঁটাচলা করবেন না। </li> <li> ব্যান্ডেজ খুলে আস্তে আস্তে গোড়ালি নাড়াতে হবে। </li> <li> লিগামেন্ট জখম হলে অনেক সময় তা ভাঙার চেয়েও ভোগায় বেশি। ৬ সপ্তাহের মতো প্লাস্টার করে রাখতে হতে পারে। </li> </ul> <h3>অল্প ভাঙলে</h3> <ul> <li> ক্রেপ ব্যান্ডেজ বেঁধে রাখুন মাস খানেক। স্নানের সময় প্লাস্টিক বাঁধতে হবে পায়ে।</li> <li> পা উঁচু করে রাখুন।</li> <li> হাঁটুন ক্র্যাচ নিয়ে।</li> <li> ব্যান্ডেজ খোলার পর গরম সেঁক এবং গোড়ালির ব্যায়াম করুন। </li> <li> বাইরের কাজ শুরু করার আগে ঘরে অল্পস্বল্প হাঁটাহাটি করুন। </li> </ul> <h3>বেশি ভাঙলে</h3> <ul> <li> হাঁটুর নীচ থেকে পায়ের পাতা পর্যন্ত প্লাস্টার হবে।</li> <li> শুয়ে থাকলে ভাল, না হলে ভাঙা পায়ে ভর না দিয়ে অল্পস্বল্প হাঁটতে পারেন।</li> <li> ৪ – ৬ সপ্তাহ পরে প্লাস্টার কেটে গরম-ঠান্ডা সেঁক এবং ব্যায়াম শুরু করুন। </li> <li> শোওয়া-বসার সময় পা একটু উঁচুতে রাখুন। </li> <li> কিছু ক্ষেত্রে প্লাস্টারের বদলে অপারেশন করে প্লেট-স্ক্রু দিয়ে হাড় জোড়া হয়।</li> </ul> </div>