ঘুসঘুসে জ্বরের নাম পাইরেকসিয়া অফ আননোন ওরিজিন। ডাক্তারদের বিশাল মাথাব্যথার বিষয়। কারণ দেখতে নিরীহ হলেও এর পিছনে অনেক সময়ই মারাত্মক কিছু অসুখ লুকিয়ে থাকতে পারে। এবং সাবধান না হলে তা থেকে বড় দুর্ঘটনা ঘটাও অসম্ভব নয়। কেন হয় রক্তাপ্লতা ক্রনিক ইনফেকশন রিউমাটয়েড আর্থাইটি, এস এল ই ইত্যাদি কানেকটিভ ট্যিসু ডিসঅর্ডার ক্যান্সারেরও প্রাথমক উপসর্গ হতে পারে ঘুসঘুসে জ্বর। কী করবেন জ্বরের চার্ট বানান। সকাল, দুপুর, বিকেল, রাত্রি এবং যখন জ্বর আসছে বলে মনে হচ্ছে জ্বর মাপুন। জিভের তলায় থার্মোমিটার দিয়ে তাপমাত্রা ৯৯ ডিগ্রির বেশি হওয়া মানেই জ্বর। শরীরে অন্য কোনও অস্বস্তি হচ্ছে কি না ভালো করে খেয়াল করুন। যেমন পেচ্ছাপে অল্পবিস্তর জ্বালা, পেটে বা পিঠে কোনও নির্দিষ্ট জায়গা জুড়ে ব্যথা, পেটের গণ্ডগোল, বমি ভাব, হলুদ পেচ্ছাপ, গলা ব্যথা, কাশি, নাক বন্ধ, মাথা ব্যথা, মাথা সামনে ঝোঁকালে ব্যথা বাড়া, বুক ধড়ফড়, হাঁপ ইত্যাদি। দিন সাতেকের মধ্যে জ্বর এবং অন্যান্য কষ্ট না কমলে ডাক্তার দেখান। খাওয়া-দাওয়ার দিকে নজর দিন। সহজ পাচ্য পুষ্টিকর খাবার পেট ভরে খাওয়ার চেষ্টা করুন। স্যুপ, সরবত, জল, ফলের রস খাওয়া বাড়ান। ক্লান্ত লাগলে ভিটামিনও খেতে পারেন। ঠান্ডা খাবার খাবেন না। গলায় কষ্ট থাকলে বেড়ে যেতে পারে। রোদে ঘোরাঘুরি বা বেশি কাজকর্ম করা বন্ধ রাখতে পারলে ভাল। কারণ শরীর এ সময় বিশ্রাম চায়। কারণ বার করতে প্রচুর পরীক্ষা করতে হতে পারে। অধৈর্য না হয়ে ডাক্তারের পরামর্শ মতো চলুন।