<h1 style="text-align: justify; "></h1> <p style="text-align: justify; ">জলবসন্ত ভাইরাস ঘটিত একটি রোগ যা অত্যন্ত ছোঁয়াচে। জলবসন্ত সাধারণত ১০ বছরের কম বয়সী বাচ্চাদের মধ্যে হয়ে থাকে, তবে যেকোন বয়সে এটি হতে পারে। এর ফলে চুলকুনি, ক্লান্তি ও জ্বর ছাড়াও চামড়ায় ফুসকুড়ির মতো দেখা যায়, যাকে ডাক্তারী ভাষায় 'প্লেমোরফিক ফুসকুড়ি' বলে।</p> <h3><strong>লক্ষণ/উপসর্গ</strong></h3> <ul style="text-align: justify; "> <li>এই রোগের লক্ষণগুলোর মধ্যে পড়ে :</li> <li>ফুসকুড়ি যা প্রথমে মুখে দেখা যায় ও পরে তা সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে</li> <li>চুলকুনি</li> <li>অল্প থেকে মাঝারি হঠাৎ জ্বর</li> <li>পিঠে ব্যাথা</li> <li>মাথা ব্যাথা</li> <li>ক্ষুধামান্দ্য</li> <li>অসুস্থবোধ</li> </ul> <h3><strong>কারণ</strong></h3> <p class="font-size12" style="text-align: justify; ">জলবসন্ত খুব ছোঁয়াচে হওয়ায় খুব সহজে আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে সুস্থ ব্যক্তির মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। হাঁচি ও কাশির মাধ্যমে এই রোগটি ছড়ায়। এই রোগের ভাইরাস লেগে থাকা বস্তু স্পর্শ করলেও এই রোগটি ঘটতে পারে।</p> <p class="font-size12" style="text-align: justify; ">উপসর্গগুলো সাধারণত সংক্রমণের ১০-২১ দিনের মধ্যে দেখা দেয় ই ইনকিউবেশন পিরিয়ড নামে পরিচিত।</p> <h3><strong>রোগনির্ণয়</strong></h3> <p class="font-size12" style="text-align: justify; ">প্রথম শ্রেণীর উপসর্গের ভিত্তিতে এই রোগের চিকিৎসা হয়। চামড়ার ক্ষতের আনুবীক্ষনিক পরীক্ষার মাধ্যমে এই রোগের চিকিৎসা করা হয়।</p> <h3><strong>কি করা উচিৎ</strong></h3> <p class="font-size12" style="text-align: justify; ">জলবসন্তে চুলকুনি থেকে রেহাই পেতে ক্যালামাইন লোশন ব্যবহার করা যেতে পারে। ফোস্কা চুলকোবেন না ও সেজন্য আঙ্গুলের নখ কেটে রাখুন ও আঙ্গুল সুবিন্যস্ত রাখুন। ব্যথা কমাতে প্যারাসিটামল ও আইবুপ্রফেনের মত ব্যথা কমানোর ওষুধ ব্যবহার করুন। জটিল অবস্থায় ভাইরাস-বিরোধী ওষুধ দেওয়া যেতে পারে অথবা ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ দেওয়া যেতে পারে।</p> <p class="font-size12" style="text-align: justify; ">রোগীকে প্রচুর পরিমাণে তরল পানের পরামর্শ দেওয়া যেতে পারে।</p> <h3><strong>প্রতিরোধ</strong></h3> <p class="font-size12" style="text-align: justify; ">টিকাকরণ জলবসন্ত প্রতিরোধের উত্তম উপায়। ১৩ বছরের কম বয়সী বাচ্চাদেরকে এই টিকাকরণের আওতায় রাখা যেতে পারে। প্রথম মাত্রাটি দেওয়া যেতে পারে ১২-১৫ মাস বয়সে ও দ্বিতীয় মাত্রা ৪-৬ বছর বয়সে।</p> <p class="font-size12" style="text-align: justify; ">ভারতে ভারতীয় শিশু সংগঠন (পেডিয়াট্রিক্স এসোসিয়েশন) দ্বারা টিকাকরণ অনুমোদিত। জনস্বাস্থ্য বন্টন পদ্ধতিতে এটি পাওয়া যায় না।</p> <p class="font-size12" style="text-align: right; "><strong><i>সুত্রঃ <span>জাতীয় স্বাস্থ্য প্রবেশদ্বার, ভারত </span></i></strong></p>