জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন (এনএইচএম) জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন নিম্নলিখিত সূচকগুলিতে পৌঁছনো নিশ্চিত করতে চায় --- প্রসবকালীন মৃত্যুর হার (এমএমআর) ১/১০০০-এ নামিয়ে আনা জন্মের সময় শিশু মৃত্যুর হার (আইএমআর) ২৫/১০০০-এ নামিয়ে আনা মোট প্রজননের হার (টিএফ) ২.১-এ নামিয়ে আনা ১৫-৪৯ বয়সি মহিলাদের রক্তাল্পতা প্রতিরোধ এবং হার কমিয়ে আনা সংক্রামক, অসংক্রামক, চোট-আঘাত এবং চলতি অসুখে মৃত্যৃ ও অসুস্থতা আটকানো এবং প্রতিরোধ সামগ্রিক স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য পরিবারের ব্যয় কমিয়ে আনা প্রতি বছরে যক্ষ্মা রোগীর সংখ্যা এবং মৃত্যু অর্ধেক করা জনসংখ্যার অনুপাতে কুষ্ঠ রোগীর সংখ্যা ১/১০০০০ করা এবং প্রতিটি জেলায় এর প্রকোপ কমিয়ে শূন্য করা বার্ষিক ম্যালেরিয়ার প্রকোপ ১/১০০০ করা প্রতিটি জেলায় মাইক্রোফাইলেরিয়ার প্রাদুর্ভাব এক শতাংশেরও কম করা ২০১৫-র মধ্যে কালাজ্বর নির্মূল করা এবং প্রতিটি ব্লকে এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা জনসংখ্যা প্রতি ১০০০০-এ ১ করা জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের উপাদান জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের অধীনে দু’টি উপ-মিশন রয়েছে। এইগুলি হল জাতীয় গ্রামীণ স্বাস্থ্য মিশন এবং জাতীয় শহর স্বাস্থ্য মিশন। এনএইচএমের ছ’টি অর্থাগমের উপাদান রয়েছে : ১। এনআরএইচএম-আরসিএইচ ফ্লেক্সিপুল ২। এনইউএইচএম ফ্লেক্সিপুল ৩। সংক্রামক রোগের জন্য ফ্লেক্সিবল পুল ৪। অ-সংক্রামক রোগ এবং আঘাত বা ট্রমা ইত্যাদির জন্য ফ্লেক্সিবল পুল ৫। পরিকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ ৬। পরিবার কল্যাণে কেন্দ্রীয় ক্ষেত্রের উপাদান সামগ্রিক জাতীয় মাপকাঠি ও অগ্রাধিকারের কথা মনে রেখে রাজ্যগুলি তাদের নিজের মতো করে রাজ্য-নির্দিষ্ট কর্মকাণ্ড পরিকল্পনা ও রূপায়ণ করতে পারে। রাজ্যের পিআইপিতে পরিকল্পনার মূল কৌশল, বিস্তারিত গৃহীত কর্মসূচি, পরিকল্পনার উপাদান ও সম্ভাব্য পরিণাম ও পরিকল্পনা সফল ভাবে রূপায়ণের জন্য বাজেট বরাদ্দের বিষয়টি থাকবে। রাজ্য পিআইপিতে জেলা/শহরভিত্তিক পরিকল্পনা থাকবে। প্রতিটি জেলার জন্য আলাদা আলাদা পরিকল্পনা থাকবে। এর বেশ কয়েকটি সুবিধা রয়েছে, প্রথমত, জেলা/শহরভিত্তিক স্থানীয় পরিকল্পনা শক্তিশালী হবে। দ্বিতীয়ত, উচ্চ অগ্রাধিকারযুক্ত জেলার জন্য পর্যাপ্ত সম্পদ অনুমোদন নিশ্চিত করবে। তৃতীয়ত, এর ফলে রাজ্যের পাশাপাশি জেলার জন্য অনুমোদনও একই সময় মিলবে। সংশ্লিষ্ট সংযোগ Health & Social sector Twelfth five year plan (2012-2017) NRH Framework for Implementation 2012-2017