এই কর্মসূচি ১৯৭৬ সালে শুরু হয়। ১০০ শতাংশ কেন্দ্রীয় সাহায্য নেওয়া এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হল অন্ধত্বের প্রকোপকে ১.৪ শতাংশ থেকে ০.৩ শতাংশে নামিয়ে আনা। ২০০১-০২ সালে একটি সমীক্ষা দেখা গেছে অন্ধত্বের প্রকোপ কমে ১.১ শতাংশ হয়েছে। পরিহারযোগ্য অন্ধত্বের উপর এনপিসিবি-র সমীক্ষার মাধ্যমে দেখা গেছে ২০০৬-০৭ সালে অন্ধত্বের প্রকোপ কমে দাঁড়িয়েছে ১ শতাংশে। এনপিসিবি-র অধীনে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় নানা কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে। এর লক্ষ্য ২০২০ সালের মধ্যে অন্ধত্বের হার ০.৩ শতাংশে নামিয়ে আনা। ভারতে অন্ধত্বের কারণগুলি হল : ক্যাটার্যাক্ট তথা ছানি (৬২.৬ শতাংশ) প্রতিসারক ত্রুটি (১৯.৭০ শতাংশ) কর্নিয়ার অন্ধত্ব (.০৯০ শতাংশ) গ্লুকোমা (৫.৮০ শতাংশ) অস্ত্রোপচারজনিত জটিলতা (১.২০ শতাংশ) পসটিরিওর ক্যাপসুলার অপাসিফিকেশন (০.৯০ শতাংশ) পসটিরিওর সেগমেন্ট ডিসঅর্ডার (৪.৭০ শতাংশ) অন্যান্য (৪.১৯ শতাংশ) এ ছাড়া শিশু বয়সে অন্ধত্ব এবং কম দৃষ্টিশক্তির সমস্যায় আক্রান্তের সংখ্যা ০.৮০ প্রতি হাজারে। দ্বাদশ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় এনপিসিবি-র লক্ষ্য হল : ত্রিস্তরীয় মূল্যায়নের উপর ভিত্তি করে দেশে চক্ষু সংক্রান্ত সমস্যাকে বোঝা এবং এ কাজে পিছিয়ে পড়া অবস্থার উন্নতি। ‘চোখের স্বাস্থ্য’ সমস্যা মোকাবিলার জন্য উন্নত এবং শক্তিশালী কর্মসূচি তৈরি ও উন্নত মানের পরিষেবা প্রদান। আরআইওগুলো শক্তিশালী করা এবং এর উন্নতিসাধন যাতে সেগুলো অপথ্যালমোলজির সেরা চিকিৎসা কেন্দ্র হিসাবে গড়ে উঠতে পারে। অতিরিক্ত মানবসম্পদ এবং পরিকাঠামো তৈরির মাধ্যমে দেশের প্রতিটি জেলায় উচ্চমানের ‘আইকেয়ার’ পরিষেবা প্রদান। চোখের যত্ন সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাতে জোর দেওয়া। অন্ধত্ব এবং চোখের সমস্যা প্রতিরোধের জন্য গবেষণায় উৎসাহ দেওয়া। চোখের যত্ন সংক্রান্ত পরিষেবার ক্ষেত্রে স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান/ বেসরকারি চিকিৎসকদেরও অংশগ্রহণ বাড়ানো। আরও বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন http://npcb.nic.in