পদ্ধতি : পদ্মাসনে অপারগ হলে সুখাসনে মেরুদণ্ড সোজা করে বসে সূর্যভেদ প্রণায়ামের মতো ডান নাসাপথে ছয় সেকেন্ড শ্বাস গ্রহণ, তারপর সঙ্গে সঙ্গে বাম নাসাপথে সমান সময় শ্বাস ত্যাগ, এবং আবার বাম নাসাপথে ছয় সেকেন্ড বায়ু গ্রহণ বা পূরক করা। পরিশেষে ডান নাসাপথে ছয় সেকেন্ড ধরে বায়ু ত্যাগ করা বা রেচক করা। এই হল এক বার। এ ভাবে পর পর ছয় বার অভ্যাস করতে হবে। এ ক্ষেত্রে কোনোরূপ দমবন্ধ রাখার বা কুম্ভক করার বিধি নেই। দ্র : ১) শাস্ত্রমতে প্রাণায়ামের প্রাক্কালে নাড়ীশুদ্ধি করা বিশেষ প্রয়োজন। গুরু-প্রদত্ত বীজমন্ত্র শ্বাস গ্রহণ করে নাড়ী শোধন করাকে সমনু নাড়ীশুদ্ধি এবং ধৌতিকর্ম দ্বারা নাড়ীশোধন করাকে নির্মনু নাড়ীশুদ্ধি বলে। প্রাণায়ামের ন্যায় শ্বাস গ্রহণ করা হয়ে থাকে বলে অনেকে একে নাড়ীশোধন প্রাণায়াম বলে অভিহিত করেন। কেউ কেউ একে অনুলোম বিলোম প্রাণায়াম বলে থাকেন। ২) আবার অনেকে ছয় সেকেন্ড শ্বাস গ্রহণের পর ছয় সেকেন্ডে কুম্ভক করতে বলেন। অনেকে চার সেকেন্ডে শ্বাস নেওয়া, ষোল সেকেন্ডে শ্বাস বন্ধ রাখা ও আট সেকেন্ডে ধরে শ্বাস ছাড়ার প্রথা সমর্থন করেন। যে প্রাণায়ামে কুম্ভক-সহ করবার উল্লেখ আছে সেটি উপযুক্ত শিক্ষকের প্রত্যক্ষ সহায়তা এবং নির্দেশ নিয়েই কেবল করা উচিত। উপকারিতা : সূর্যভেদ প্রাণায়ামের অনুরূপ।